সিলেটে কমেছে সবজির দাম, পেঁয়াজের দামে আগুন
লিমন তালুকদার
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
শীতের সবজির সরবরাহ বেড়ে রাজধানীর কাঁচাবাজারে সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে সবজির দাম। তবে পেঁয়াজ এখনো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা এবং দেশি পুরোনো পেঁয়াজ ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে নতুন পেঁয়াজের দাম ৯০ থেকে ১০০ টাকা।
জানা যায়, মাঝে কমতির দিকে থাকলেও গত দুদিনে সরবরাহ কমে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে। কালিঘাটের বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন বলেন, ৪০-৪২ টাকা আমদানি পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৪ টাকায়। আগের দুদিনের তুলনায় আমদানি পেঁয়াজের দাম কেজিতে চার টাকার মতো বেড়েছে। এ কারণের দেশি পেঁয়াজের দামও কমছে না। তবে আশার দিক হচ্ছে, বিপুল পরিমাণ দেশি নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসছে। এতে দেশি নতুন পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী। আগামী কয়েকদিনে পেঁয়াজের দাম কমতে পারে।
এদিকে কাঁচামরিচের দাম আরো কমে গতকাল বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৮০ টাকায়। দুদিন আগে ৪০ টাকায় নেমে এসেছিল মসলা জাতীয় এ পণ্যটি। ক্রেতারা বলছেন, শীতের সবজির সরবরাহ বেড়ে দাম কমলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় টমেটোর দাম এখনো চড়া। বিক্রেতারা বলছেন, সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে, কয়েকদিনের মধ্যে দাম আরো কমে আসবে। এছাড়া চাল, ডাল, তেল, মাছ, মুরগি ও ডিমসহ অন্যান্য পণ্য আগের দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে। কয়েকদিনের মধ্যে শীতের সবজির দাম আরো কমতে পারে বলে জানান ব্যবসায়ী এরফান আলী।
গতকাল সিলেটের বাজার ঘুরে দেখা যায়, শিম বিক্রি হয়েছে মানভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকায়, করলা ৫০ থেকে ৭০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, টমেটো ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। মাঝারি আকারের একটি ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। কেজিতে ১০ টাকা কমে মুলার কেজি বিক্রি ৪০ টাকা। এছাড়া বরবটি ও কাঁকরোলের কেজি ৫০ টাকা। ঢ্যাঁড়শ ও পটোলের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পুরোনো আলু ২৫ টাকা বিক্রি হলেও নতুন আলুর দাম অনেক কমে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া শাকসবজির দামও অর্ধেকে নেমে এসেছে।
গতকাল বিকালে শিবগঞ্জ এলাকা থেকে কেনাকাটা করতে আসা আফিয়া নামের এক ক্রেতা বলেন, সবজির দাম কমলেও অন্য বছরের তুলনায় এখনো দাম বেশি।
মাছ-মাংসের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ডিম ও মুরগির বাজারেও স্বস্তি বিরাজ করছে। এদিকে মানভেদে কেজিতে ৩-৪ টাকা নাগাদ মাঝারি ও মোটা চালের দাম কমলেও মিনিকেট চাল আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন্দর বাজারের চাঁদপুর রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী বাচ্চু মিয়া।
এদিকে রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা টিসিবি গতকাল বাজার দরের প্রতিবেদনে বলেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে মসুর ডাল (বড় দানা), আলু, দেশি পেঁয়াজ, লবঙ্গ ও ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে। অন্যদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেল, আমদানি রসুন ও চিনির বেড়েছে। এছাড়া নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।




