জৈন্তাপুরে রয়েল ডায়াগনস্টিক এর আয়োজনে ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন
জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় চিকিৎসা সেবা ও সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্হ্যসেবা নিশ্চিতে অভিজ্ঞ ডাক্তার কর্তৃক ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ই জানুয়ারি) উপজেলার আসামপাড়া আশ্রয়ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েল ডায়াগনস্টিক এন্ড হেলথ্ হাব এর পক্ষ থেকে সকাল ৯ ঘটিকা থেকে দুপুর ১২ ঘটিকা পর্যন্ত এই ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে উপজেলার আসামপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ আব্দুল মালিক চৌধুরী (এমবিবিএস, সাস্ট এমআরসিএস পার্টি বি) এই ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন এ হতদরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
এ ছাড়া সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনী ও শিশু মেডিসিন রোগের চিকিৎসক ডাঃ নুসরাত ফারজানা তাসলিম ও জালালাবাদ রাগিব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ও নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মোঃ মহসিন আহমদ রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর রয়েল ডায়াগনস্টিক এন্ড হেলথ্ হাব এর পরিচালক মোঃ আমির আলি বলেন,জৈন্তাপুর উপজেলা সহ পাশ্ববর্তী উপজেলা থেকে আগত বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা ও পরীক্ষা নিরিক্ষায় রয়েল ডায়াগনস্টিক এন্ড হেলথ্ হাব সুনামের সহিত কাজ করে যাচ্ছে। আর এই সেবা প্রদানের অন্যতম ব্যাক্তি হলেন আসামপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান ডাঃ আব্দুল মালিক। তিনি বলেন, আজ মূলত তারই চিন্তাধারার মাধ্যমে নিজ গ্রামে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে রয়েল ডায়াগনস্টিক এন্ড হেলথ্ হাব এর আরেক পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হালিম জানান,জৈন্তাপুর উপজেলার পূর্ববাজারে এই হেলথ হাব অবস্থিত। এখানে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে মানসম্মত চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতি দ্বারা পরীক্ষা নিরিক্ষার ব্যবস্হা রয়েছে। তাছাড়া নিম্নআয়ের মানুষের জন্য নিয়মিত ডিসকাউন্টের ব্যবস্হা আছে। এরই ধারাবাহিকতায় চিকিৎসা সেবা সমাজের হতদরিদ্র মানুষের নিকট পৌছে দিতে হাব এর পক্ষ থেকে এবং ডাঃ আব্দুল মালিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে যা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে। তিনি জানান ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন এ স্হানীয় দেড়শ জন নারী পুরুষ ও শিশু বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করেন।





