সিলেট-৬ আসন : চূড়ান্ত মনোনয়নে টিকে রইলেন এমরান চৌধুরী
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
রাজনীতিকের হাতে-ই উঠলো ধানের শীষের টিকেট। অথচ সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন লাভে ছিল বিশাল বহর। শংকাও ছিল অর্থ বলে কেউ নিয়ে যান কি-না বিএনপির মনোনয়ন। কিন্ত অবশেষে বিজয় হলো রাজনীতিকের। ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের রাজনীতির চরম দূযোর্গ মুর্হুতে সামনে থেকে সিলেট বিএনপির নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। শিকার হয়েছেন হামলা মামলার। ফেরারী জীবনও কাটিয়েছেন তিনি। তবুও রাজপথের আন্দোলনে সিলেটে হাতে গোনা যে কয়েকজন ছিলেন তিনি তাদের অন্যতম। জুলাই-৩৬ আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর সারাদেশের ন্যায় বিএনপির ঘরে ভিড় জমে সিলেটেও।
যারা বিএনপির রাজনীতির ট্যাগ মুছতে চেষ্টা করেছেন, এমনকি দলের সাথে নূন্যতম সর্ম্পক রাখতেও মুখ লুকিয়েছিলেন তারাও সরব হেয় উঠেন বিএনপির রাজনীতি ঘিরে। এক পর্যায়ে নির্বাচনী আবহাওয়া আসতেই আসনে আসনে তাদের দৌড় পড়ে মনোনয়ন নিয়ে। সেই দৌড়ে রাজনীতিকদের পেছনে রেখে এগিয়ে যাওয়ার চেস্টা করেন ধর্নাঢ্যরা। এদের অনেকের অতীত ইতিহাস বিএনপির রাজনীতির চেয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের সাথে মাখামাখি ও সুবিধা আদায়েই ছিল ব্যস্ত।
এছাড়া অনেকে ছিলেন প্রবাসীও। কিন্ত বিএনপির হাই কমান্ড নির্বাচনী বৈতরনী পার হতে একজন রাজনীতিককে-ই মূল্যায়ন করে সিলেট-৬ আসনে আপামর জনতার কাছে নতুন ভাবে সমাদৃত হয়েছে। নতুবা মনে করা হতো মনোনয়ন বানিজ্য করেছে বিএনপি। প্রার্থী চুড়ান্তে বিএনপির এমন দূরদর্শিতায় সিলেট-৬ আসনে মনােনয়ন বানিজ্যের তকমা’র হয়েছে জানাযা। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি সিলেট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে গত ১৭ জানুয়ারি ইস্যু করা হয়েছে। এতে সিলেট-৬ আসনে (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবজার) দলীয় প্রার্থী হিসেবে জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করেছে বিএনপি।
বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন- আমি আবারও মহান আল্লাহ তা’লার শুকরিয়া আদায় করছি। আবারও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমার অভিভাবক তারেক রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি। আমি আমার এ প্রাপ্তিকে উৎসর্গ করছি গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের সম্মানিত সকল ভোটার ও সর্বন্তরের জনগণকে। তিনি আরও বলেন- এ আসনে যারা দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন; তাঁরা সবাই যোগ্য এবং তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে।
দলের জন্য তাঁদের ত্যাগ, শ্রম ও অবদান কোনো অংশেই কম নয়। তাঁরা মনোনয়ন না পেলেও আমরা সবাই একই মঞ্চের। আজ থেকে আমরা সবাই নবউদ্যমে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়বো, ইনশা আল্লাহ ঘরে ফিরবো ধানের শীষের জয় সুনিশ্চিত করেই।আগামী দিনে সবাই মিলেই আমরা গড়বো উন্নত ও সমৃদ্ধ গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার। একটাই স্লোগান হোক আমাদের সবার- আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ। ক্ষমতার আগে জনতা, সবার আগে বাংলাদেশ।




