শাকসু নির্বাচন স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে চেম্বার আদালতে এ আবেদন করা হয়। এতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে থাকা আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, যথাসময়ে এ আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে সোমবার দুপুরে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
শুনানি শেষে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, শাকসু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন যে অনুমোদন দিয়েছিল, তা চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ফলে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। চার সপ্তাহ পর যেকোনো সময় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এর আগে রোববার শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। শাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভসহ তিন শিক্ষার্থী রিটটি করেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত রাখতে নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিয়েছে। এ অবস্থায় শাকসু নির্বাচন আইনসংগত নয়।
এদিকে শাকসু নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণার সময় ১২ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচন কমিশনের স্থগিতাদেশের কারণে প্রচারণায় বিঘ্ন ঘটায় সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে নির্বাচন কমিশন ২০ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচারণা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কয়েকজন প্রার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রচারণার সময় বাড়ানো হয়।




