স্ত্রীর ওপর অকারণে কখনোই চিৎকার করা উচিত নয় : রানি মুখার্জি
ডেস্ক রিপোর্ট :
প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জি সবসময়ই নিজের মতামত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে ভালোবাসেন। পর্দায় শক্ত ও প্রতিবাদী চরিত্রে যেমন তাকে দেখা যায়, বাস্তব জীবনেও তিনি সামাজিক অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পিছপা হন না।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে লিঙ্গ বৈষম্য ও পারিবারিক মূল্যবোধ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, একজন মানুষের নৈতিক শিক্ষা শুরু হয় তার নিজের ঘর থেকেই। একজন পুরুষের কখনোই তার স্ত্রীর ওপর অযথা চিৎকার করা উচিত নয়।
রানির মতে, সমাজে একজন নারী কী পরিমাণ সম্মান পাবেন, তার বড় একটি অংশ নির্ভর করে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের আচরণের ওপর। তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সম্মানের চর্চা শুরু হয় পরিবারে। কোনো ছেলে যখন তার বাবাকে মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে দেখে, তখন তার মনে এই ধারণাই গড়ে ওঠে যে নারীদের সঙ্গে এমন আচরণ করাই স্বাভাবিক।
পুরুষদের সামাজিক দায়িত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রানি আরও বলেন, পরিবারের ভেতরে স্ত্রীদের প্রতি কেমন আচরণ করা হবে, সেই দায়িত্ব মূলত পুরুষদেরই। কারণ সন্তানরা সেই পরিবেশ দেখেই বড় হয়। যদি ঘরের ভেতর মাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়, তাহলেই একটি ছেলে বুঝতে শিখবে সমাজে নারীদের প্রকৃত মর্যাদা কী বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পারিবারিক অশান্তি ও উচ্চস্বরে কথা বলার প্রবণতা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে রানি জানান, সব ধরনের শিক্ষার ভিত্তি তৈরি হয় ঘর থেকেই। তার ভাষায়, একজন পুরুষের কখনোই তার স্ত্রীর ওপর অযথা চিৎকার করা উচিত নয়। একই সঙ্গে একজন নারীরও উচিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা।
স্কুল জীবনের একটি মজার স্মৃতি ভাগ করে নিয়ে রানি বলেন, স্কুলে পড়ার সময় তিনি মাত্র একজন ছেলেকেই চড় মেরেছিলেন, বাকিরা সবাই আমার বন্ধু ছিল।
এসময় হাস্যরসের ছলে তিনি বলেন, এ কথা শুনে আবার আমার স্বামী আদিত্য চোপড়াকে জিজ্ঞেস করতে যেও না যে, বাড়িতে প্রতিদিন আমার সঙ্গে কী ঘটে!





