রমজানের আগেই সিলেটে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
রমজান শুরু হতে এখনো কয়েক দিন বাকি। কিন্তু তার আগেই সিলেট নগরীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। রোববার সকালে নগরের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়।
ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কয়েকটি পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। লেবুর দাম প্রতি হালিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে এখন ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানে ইফতারে চাহিদা বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় আগেভাগেই দাম বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
শসার দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গাজরসহ সালাদজাতীয় আরও কয়েকটি সবজির দামও বেড়েছে। তবে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা ও শিমের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে বলে বিক্রেতারা জানান।
নগরের আম্বরখানা বাজারে কথা হয় ক্রেতা আবদুল কাইয়ুমের সঙ্গে। তিনি বলেন, রমজান এলেই বাজারে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এখনো রোজা শুরু হয়নি, এর মধ্যেই লেবু ও শসার দাম বেড়েছে। এতে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চাপে পড়ছে।
একই বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. জালাল বলেন, রমজানে লেবু ও সালাদজাতীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ে। পাইকারি বাজারেই দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
সবজির পাশাপাশি মসলা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়ে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুনের দাম কেজিতে ১৭০ টাকায় উঠেছে।
ভোজ্যতেলের বাজারেও অস্থিরতা রয়েছে। বিক্রেতারা জানান, সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম। আগে প্রতি লিটার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ২০০ থেকে ২০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান ঘনিয়ে এলে চাহিদা আরও বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে সরবরাহ ও নজরদারি জোরদার না হলে দামে আরও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।





