গোয়াইনঘাটে কোরবানীর হাটে ক্রেতার চেয়ে দর্শক বেশি, হতাশ ব্যবসায়ীরা | Sylhet i News
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন

হায়দার চৌধুরী,গোয়াইনঘাট

প্রকাশ ২০২১-০৭-১৭ ১৫:১৪:০৫
গোয়াইনঘাটে কোরবানীর হাটে ক্রেতার চেয়ে দর্শক বেশি, হতাশ ব্যবসায়ীরা

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন কোরবানি পশুর হাট ৮নং তোয়াকুল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী তোয়াকুল বাজারে কোরবানীর পশুর হাটে গবাদিপশুর উপস্থিতি বেশি হলেও ক্রেতার সংখ্যা কম, দর-কষাকষি হচ্ছে বেশি।

১৪ দিনের লকডাউনের পর গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম থেকে গৃহপালিত গবাদিপশুর মালিক ও খামারিরা তোয়াকুল বাজার পশুর হাটে গবাদি পশু নিয়ে এসেছে। পুরো হাটে দেশী প্রজাতির গরু-ছাগল ছিল চোখে পড়ার মত। ছোট, বড় ও মাঝারি সাইজের গরু হাটে দাম ছিল ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে। ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকলেও বিক্রেতার সংখ্যা ছিল বেশী।

সরেজমিনে শুক্র ও শনিবার গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সারি সারি করে গরুগুলি বেঁধে রাখা হয়েছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি, বেশির ভাগ মানুয়ের মুখে ছিলনা মাক্সের ব্যবহার। তোয়াকুল বাজারের ইজারাদারেরা করোনা কালিন সময়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে ইজারাদারেরা একটু পর পর মাইকিং করে অনুরোধ করতে দেখা গেছে।

গরু বিক্রেতা আব্দুর রব বলেন, গরু নিয়ে বাজারে এসেছি, বাজারে প্রচুর পরিমাণ গরু আছে তবে ক্রেতা কম, ক্রেতারা ক্রয়ের চাইতে দামাদরি করছে বেশি। দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আছে। তিনি বলেন, ছোট সাইজের একটি গরু ৪৫-৫০ হাজার, মাঝারি গরু ৬৫-৭০ হাজার ও বড় গরু লাখ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।গরু বিক্রেতা বাচ্ছু মিয়া বলেন, আশা করছি আগামী বাজার থেকে পুরোপুরিভাবে গরু’র বাজার হবে জমজমাট।
ক্রেতা মানিক মিয়া বলেন, আমি ছোট সাইজের একটি ষাঁড় গরু (দেশী জাতের) ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছি। আরো একজন ক্রেতা জুনেদ আহমদ বলেন এখনো সময় আছে এসেছি বাজারের দাম দরের অবস্থা দেখতে যদি আমার হিসাবের সাথে মিলে যায় তবে কিনেও নিতে পারি।
উপজেলার গ্রাম গঞ্জের কিছু সচেতন মহলকে বাজারের ঝামেলা এড়াতে মোবাইল ফোনে একজন অন্যজনের সাথে যোগাযোগ করে দরদামের মাধ্যমে গরু ক্রয় বিক্রয় করতে দেখা যায়। এই রকম ভাবে উপজেলার অনেকে গরু ক্রয় করে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তোয়াকুল বাজারের ইজারাদার গিয়াস উদ্দিন বলেন, বাজারের সব ধরনের গরুর উপস্থিতি দেখার মত তবে বাজার এখনো জমে উঠেনি ক্রয়-বিক্রয় কম হচ্ছে যে কয়টি গরু বিক্রি হয়েছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ একটি গরু এক লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আর সর্বনিম্ন ২১ হাজার টাকা। ক্রেতা-বিক্রেতাদের যতটুকু সুযোগ-সুবিধা দেয়ার আমরা দেয়ার চেষ্ঠা করছি। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিধি মেনে পশুর হাট চালাতে আমারা আসিনে মাক্স রেখেছি। তিনি আগামী বাজারগুলোতে মাস্ক পরে বাজারে আসতে সবাইকে অনুরোধ করেন।

আইনিউজ/এসএম

ফেসবুক পেইজ