সৌদিতে ৭০০ সিনেমা হল; বেড়েছে পর্নোগ্রাফি | Sylhet i News
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন



আই নিউজ ডেস্ক ::

প্রকাশ ২০২২-০১-০৪ ২৩:৩৯:৩২
সৌদিতে ৭০০ সিনেমা হল; বেড়েছে পর্নোগ্রাফি

সৌদি আরবের সিনেমা আদ-দাইয়ু থেকে নেয়া একটি দৃশ্য

সৌদি আরবে ফিল্ম ইন্ড্রাস্টি খোলস ছেড়ে বেড়িয়েছে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই দেশটিতে সিনেমা হলের সংখ্যা বেড়ে গেছে। বর্তমান দেশটিতে সিনেমা হলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০০টি। ধীরে ধীরে পশ্চিম এশিয়ার শীর্ষ সিনেমার বাজারে পরিণত হতে যাচ্ছে দেশটি। পাশাপাশি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে পর্নোগ্রাফি।

২০২১ সালে সিনেমার বাজার থেকে সৌদি আরবের আয় হয়েছে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় তিন হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সৌদি আরব বিশ্বের দশম বৃহত্তম সিনেবাজার হওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে— দুবাইভিত্তিক বিনোদন প্রতিষ্ঠান ‘ভক্স সিনেমা’ সৌদি আরবে নতুন নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কার্যক্রমে ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। ১৬ বিলিয়ন সৌদি রিয়ালের বিনিয়োগে সিনেমা হলের সঙ্গে শপিংমল, ফ্যাশন হাউজ, বিনোদন ও দোকানপাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যার ফলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাড়বে আরও সিনেমা হল।

এখানেই শেষ নয়, সৌদি আরব তাদের বিনোদন খাতে ৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই সামগ্রিক বিনিয়োগ আগামী দশকে এই বাজারকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

এ ছাড়া সৌদি আরব বর্তমানে ড্যান্স মিউজিক ফেস্টিভ্যালের আয়োজনে জোর দিতে চায়। এরই মধ্যে সৌদি রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে দ্বিতীয়বারের মতো এমন একটি আয়োজন হয়েছে, যেখানে এক লাখ ৮০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ভ্যারাইটির আরেকটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সৌদি আরবে সিনেমা বাড়ার পাশাপাশি কয়েকগুন বেড়েছে পর্নোগ্রাফি। এতে অভিনয় করা বেশিরভাগ নারীই সৈাদি আরবের।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবে ১৯৭০ সালের পর দেশটির ইসলামিক নেতারা সিনেমা হলগুলো বন্ধ করে দেন। এর পর দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সেখানে কোনো সিনেমা হল ছিল না।

২০১৮ সালে সিনেমা হলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির রাজপরিবার। একই বছর ১৮ এপ্রিল রিয়াদে চালু হয় দেশটির প্রথম সিনেমা হল। অল্প দিনেই দেশটিতে বাড়ছে হলের সংখ্যা, বাড়ছে দর্শকশ্রোতাও।


আই নিউজ/তাহা

ফেসবুক পেইজ