শ্রীলংকায় চেয়ারে ফিরছেন পাঁচবারের প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহে! | Sylhet i News
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১০:০২ পূর্বাহ্ন



আই নিউজ ডেস্ক ::

প্রকাশ ২০২২-০৫-১২ ০৯:৪৩:৫৭
শ্রীলংকায় চেয়ারে ফিরছেন পাঁচবারের প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহে!

শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে আজ নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি পাঁচবারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। আজ সন্ধ্যায় তিনি শপথও নিতে পারেন।

জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। সেখানেই নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তুমুল বিক্ষোভের মুখে গত সোমবার পদত্যাগ করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে। তিনি প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া বাজাপক্ষের বড় ভাই।

সোমবারের ওই বিক্ষোভ-সংঘর্ষে কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ।

শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে জরুরি ক্ষমতা।

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পরও সরকাবিরোধী আন্দোলনকারীরা থামছেন না। তারা প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ চান। কিন্তু গোতাবায়া পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সংকটে ধুঁকছে শ্রীলংকা। এজন্য দেশটির নাগরিকরা সরকারের অব্যবস্থাপনাকেই দুষছেন।

বিক্রমাসিংহে যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে সম্ভবত ২২৫ সদস্যের শ্রীলঙ্কা সংসদে ক্রস-পার্টি সমর্থন নিয়ে একটি ‘ঐক্য’ সরকারের প্রধান হবেন তিনি।

প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, কোনো অঘটন না ঘটলে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ গ্রহণ করবেন বিক্রমাসিংহে।

বুধবার গভীর রাতে প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। সেখানে তিনি বলেন, একটি নতুন সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি দলীয় নেতাদের সঙ্গে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, আমি একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং কম বয়সীদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করব, যেখানে রাজাপক্ষ পরিবারের কেউ থাকবে না। এটি বিক্ষোভকারীদের একটি কেন্দ্রীয় দাবি, যারা এই সংকটের জন্য রাজাপক্ষ পরিবারকে দায়ী করে থাকেন। আমি এমন একজন প্রধানমন্ত্রীর নাম বলব যিনি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং জনগণের আস্থার অধিকারী। 

এদিকে ঐক্যমতের সরকার গঠনের আলোচনায় এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধান বিরোধী দল বলেছে, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা কোনো কিছুই মানবে না।

বিক্রিমাসিংহে ১৯৯৩ সাল থেকে শ্রীংলংকার পাঁচবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাকে পশ্চিমপন্থী মুক্তবাজার সংস্কারবাদী হিসাবে দেখা হয়।

আইনিউজ/এসএম

ফেসবুক পেইজ