জনপ্রতি বানভাসীদের জন্য বরাদ্ধ জনপ্রতি ১ টাকা! | Sylhet i News
শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন



জকিগঞ্জ প্রতিনিধি :>>

প্রকাশ ২০২২-০৬-২২ ১৭:১৮:৪৪
জনপ্রতি বানভাসীদের জন্য বরাদ্ধ জনপ্রতি ১ টাকা!

জকিগঞ্জে পানিবন্দী মানুষের জন্য বরাদ্ধ এসেছে দেড়লাখ টাকা। উপজেলার ৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্রসহ পানিবন্দী রয়েছেন দেড় লাখ মানুষ। অর্থ্যাৎ পানিবন্দীদের জনপ্রতি বরাদ্ধ দাঁড়ালো ১ টাকা করে।

সুরমা কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার ১৮৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ৪৬ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হলেও গ্রাম থেকে পানিবন্ধী অনেকেই এখনো আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে পারেননি। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন তারা খাদ্য, নিরাপদ পানিসহ নানা সংকটে ভুগছেন। জকিগঞ্জ-সিলেট সড়কের বেশিরভাগ জায়গাই এখন পানির নিচে। যে কোনো সময় সিলেট থেকে জকিগঞ্জ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।বিদ্যুৎ নেই অধিকাংশ এলাকাতেই। জকিগঞ্জে ৩৯টি পয়েন্ট নিয়ে হু হু করে পানি ঢুকছে। নতুন নতুন স্থানে ডাইক ভাঙ্গার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে নদীর ভাঙ্গন ঠেকাতে সেচ্ছাসেবীরা প্রতিটি ঝুকিপূর্ণ স্থানে দিন-রাত এলাকার সর্বস্তরের জন সাধারণ তাদের নিজ উদ্দ্যোগে কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয় এমপি,পানি উন্নয়ন বোর্ড বা প্রসাশনের সহযোগিতা ছাড়া গ্রামের  বৃদ্ধ থেকে শুরু করে যুবক-ছাত্র সকলেই এক সাথে বেড়িবাঁধ রক্ষার্থে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টা পর্যন্ত জকিগঞ্জের  মানিকপুর, পৌর এলাকার মাইজকান্দি, সুলতানপুরের গঙ্গাজলসহ বেশ কয়েকটি স্থানে এলাকার লোকজনকে কাজ করতে দেখা গেছে।তারা বাঁশ,লতাপাতা দিয়ে পানি আটকানোর চেষ্টা করছেন। পৌরসভার কেছরী,মাইজকান্দ, জকিগঞ্জ বাজার,জকিগঞ্জ ইউনিয়নের বাখরশাল,মানিকপুরসহ বীরশ্রী,বারঠাকুরি, বারহালসহ সব ইউনিয়নে লোকজন রাতজেগে ডাইক রক্ষার কাজ করছেন।পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতির কারনে মানুষ ২য় দফায় বন্যায় ডুবছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। এ অবস্থায় পুরো উপজেলার দেড় লক্ষাধিক মানুষ এখন পানিবন্দী। ৩০ টন চাল ও দেড় লাখ টাকার ত্রাণ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

এনসি

ফেসবুক পেইজ