প্রসঙ্গ : ‘ভেদাভেদা’ টিভির লাইভ সাংবাদিকতা | Sylhet i News
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন

মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন

প্রকাশ ২০২১-০৬-২৪ ১২:১৮:৪৭
প্রসঙ্গ : ‘ভেদাভেদা’ টিভির লাইভ সাংবাদিকতা

গণমাধ্যমে রিপোটিংয়ের ক্ষেত্রে কিছু Canons বা অনুশাসন রয়েছে, যার অন্যতম হলো- Honesty, Independence, Fairness,Public Accountability, Harm Minimisation,Avoid Libel, Proper Attribution ইত্যাদি।

আমরা আমাদের সাংবাদিকতার শুরুতে নানা প্রশিক্ষণে এসব নীতিমালার কথা শুনেছি। কিন্তু, হালফিল এসব আভিধানিক কথামালা যেন কেবল সাদাকালোয় মুদ্রিত বাণী চিরন্তনী হিসেবে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।

গত বছর খানেক ধরে স্মার্টফোন আর সহজলভ্য ইন্টারনেটের কল্যাণে ভিন্ন ধারা একটি সাংবাদিকতার জন্ম হয়েছে।

অভিজাতরা এর নাম দিয়েছেন- অনলাইন সাংবাদিকতা। কেউ কেউ বলেন, সিটিজেন জার্নালিজম, কেউ বা আবার ‘মোজো সাংবাদিকতা’ বা মোবাইল জার্নালিজম। এই ধারার সাংবাদিকতার সর্বশেষ সংযোজন ‘লাইভ টিভি’। ফেইসবুকে একটি একাউন্ট বা ইউটিউভে একটা চ্যানেল। একটা স্মার্টফোন, একটি মাইক্রোফোন আর ইন্টারনেট সংযোগ। ব্যস হয়ে গেল। যে কেউ ‘হ্যালো ভিউয়ার্স’ বলে দাঁড়িয়ে গেল রিপোর্টিয়ে। ভুল শুদ্ধ মিলিয়ে যা মুখে আসে বকে গেল কিছু সময়।

সিলেটের মানুষ ‘ভালবেসে’ এসব মোবাইল টিভিকে ডাকেন ‘ভেদাভেদা‘ টিভি। এই ভেদভেদা টিভিগুলো এখন সাংবাদিকদের জন্য রীতিমত বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাংবাদিকতা এখন এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌছেছে যে, কবরস্থান থেকেও লাইভ করা হয়। লাইভ টিভির এই দৌরাত্মে হারিয়ে যেতে বসেছে প্রকৃত সাংবাদিকতা।

বুধবার সিলেট নগরীর শাহজালাল উপশহরে লাইভ টিভির দৌরাত্মা দেখে সাংবাদিকতার বর্তমান সম্পর্কে নানা প্রশ্ন জাগছে মনে। কোথায় যাচ্ছি আমরা?

উপশহরে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে এক গৃহবধুকে আটকের প্রাক্কালে যে সাংবাদিকতা দেখলাম, তাতে মনে হচ্ছে সাংবাদিকতার নীতিমালা ও সাংবাদিকতায় নীতি নৈতিকতার মৃত্যু হয়েছে।

‘ভেদাভেদা‘ নামের কথিত লাইভ টিভিগুলো দেখে সাংবাদিকতার যে সব নীতিমালার লঙ্ঘণ হয়েছে, তার কয়েকটি উল্লেখ করা যেতে পারে-

১। যতক্ষণ পর্যন্ত কারো অপরাধ প্রমাণিত না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে নির্দোষ। অথচ, যেভাবে ঐ ভদ্রমহিলাকে উপস্থাপন করা হল, তাতে মনে হয়েছে- ঐ গৃহবধুকে অপরাধী হিসেবে ধরেই নিয়েছেন লাইভ টিভির সাংবাদিকরা, যা পুরোপুরি বেআইনী।

২। কোন ঘটনা ঘটলে তা আদালত বা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক রহস্য উদ্ঘাটনের আগ পর্যন্ত কাউকে দোষী হিসেবে বর্ণনা করাকে আইনের ভাষায় বলে- মিডিয়া ট্রায়াল, যা বেআইনী।

৪। পুলিশ কাস্টডিতে থাকা অবস্থায় কোন ‘সাসপেক্ট’ বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির সাক্ষাতকার প্রচার করা, এমনিক কেউ দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে মিডিয়ার সামনে আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনও বেআইনী। লাইভ সাংবাদিকরা হয়তো সেটি জানেন না।

৫। এই ঘটনার ভিকটিম গৃহকর্মীর বয়স বড়জোর ১২/১৩ অর্থাত সে ‘মাইনর’ বা নাবালক। তার সাক্ষাতকার নেয়া বা প্রচার করা বেআইনী।

৬। ঐ ঘটনায় বাথরুমে মরিচের গুড়া ছিটানো আছে- সেটিও দেখানো হয়েছে। অথচ, সাংবাদিকদের জানা উচিত কোন ঘটনাস্থলে এমনভাবে রিপোর্ট করা উচিত না, যাতে কোন আলামত নষ্ট হয়। লাইভ টিভির সাংবাদিকরা আলামত নষ্টের অভিযোগে অভিযুক্ত হতে পারেন।

৭। ঐ মহিলা দোষী হলেও তার স্বামী তো নির্দোষ। ঐ ভদ্রলোক একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। অথচ, তাকেও ‘মিডিয়া ট্রায়াল‘র এর মুখোমুখী হতে হয়েছে।

৮। গৃহকর্মী হয়তো আসলেই মানসিক রোগী বা সিজফ্রেনিক। গৃহবধু ও তার স্বামী দুজন্ইে কর্মজীবী। তারা ঐ গৃহকর্মীকে নির্যাতন করেছেন- এটি তো প্রমাণের দাবী রাখে। হয়তো বিচারে তারা নির্দোষ প্রমাণিত হতেও পারেন। এ অবস্থায় তারা যদি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫ ধারা কিংবা দন্ডবিধির ৫০০ ধারা আশ্রয় নেন, তাহলে কি জবাব দেবেন লাইভ টিভির সাংবাদিক বন্ধুরা?

লাইভের নামে একটি অসুস্থ সাংবাদিকতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এই সাংবাদিকতার নেই কোন গ্রামার, নেই কোন এথিক্স, নেই কোন নীতিমালাও। অথচ, অনলাইন বা মোজো বা সিটিজেন সাংবাদিকতা ইত্যাদি নাম দিয়ে কথিত এসব লাইভে মহিয়ান করে তোলার অপচেষ্টা হচ্ছে।

অথচ, সাংবাদিকতা একটি গ্রামারের মধ্যে করতে হয়। দেশে বিদেশে সাংবদিকতার উপর উচ্চতর ডিগ্রী দেয়া হয়। ডিগ্রী না থাকলেও পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে গড়ে উঠতে কলম পিষতে হয় বহু বছর, বুম আর ক্যামেরা নিয়ে দৌড়াতে বহুদিন। তারপর সাংবাদিক স্বীকৃতি মেলে।

একটি গল্প বলে শেষ করি।
এক তালেবান নেতার একটি পোষা বানর ছিল। প্রতিদিন তিনি ঐ বানরটাকে কাঁধে নিয়ে দা দিয়ে কেটে নিট বাগানের আগাছা পরিষ্কার করতেন। একদিন ভুলে বাগানেই দা-টি ফেলে যান। বাড়ি ফিরে দেখেন বাগানের সব ফল ফসলের গাছ কেটে ফেলেছে তার পোষা বানর। তালেবান নেতা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বললেন, আমার ঘরে একটি কালাশনিকভ রাইফেল আছে। ভাগ্যিস কোনদিন বানরটার সামনে সেই রাইফেল চালাইনি। যদি, বানরটা আমার দেখাদেখি রাইফেল চালানো শিখে নিত, তাহলে কত প্রাণ যেত আল্লাহ মালুম।

কথিত লাইভ টিভির নামে আমরা বানরের হাত দা নয়, বরঙ দিচ্ছি কালাশনিকভ মেশিনগান তুলে দিচ্ছি নাতো?

পুনশ্চ : বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট এর ১১(বি) ধারা অনুযায়ী প্রণীত সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থাসমূহ এবং সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় আচরণবিধি :

১. জনগণকে আকর্ষণ করে অথবা তাঁদের ওপর প্রভাব ফেলে এমন বিষয়ে জনগণকে অবহিত রাখা একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। জনগণের তথা সংবাদপত্র পাঠকগণের ব্যক্তিগত অধিকার ও সংবেদনশীলতার প্রতি পূর্ণ সম্মানবোধসহ সংবাদ ও সংবাদভাষ্য প্রস্তুত ও প্রকাশ করতে হবে।

২. সংবাদপত্র ও সাংবাদিককে প্রাপ্ত তথ্যাবলীর সত্যতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য কোনোরূপ শাস্তির ঝুঁকি ছাড়াই জনস্বার্থে প্রকাশ করা যেতে পারে। এ ধরনের জনস্বার্থে প্রকাশিত, সংবাদ যদি সৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে থাকে এবং প্রাপ্ত তথ্য যদি যৌক্তিকভাবে বিশ্বাসযোগ্য বিবেচিত হয়, তবে এ ধরনের প্রকাশিত সংবাদ থেকে উদ্ভূত প্রতিকূল পরিণতি থেকে সাংবাদিককে রেহাই দিতে হবে।

৪. গুজব এবং অসমর্থিত প্রতিবেদন প্রকাশের পূর্বে সেগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে এবং যদি এসব প্রকাশ করা অনুচিত বিবেচিত হয় সেগুলি প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. যে সকল সংবাদের বিষয়বস্তু অসাধু এবং ভিত্তিহীন অথবা যেগুলির প্রকাশনায় বিশ্বস্ততা ভঙ্গের প্রয়াস জড়িত সে সকল সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না।

৬. সংবাদপত্র ও সাংবাদিকগণ বিতর্কিত বিষয়াবলিতে নিজস্ব মতামত জোরালোভাবে ব্যক্ত করার অধিকার রাখেন, কিন্তু এরূপ করতে গিয়ে;

ক) সত্য ঘটনা এবং মতামতকে পরিচ্ছন্নভাবে প্রকাশ করতে হবে।

খ) পাঠককে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোনো ঘটনাকে বিকৃত করা যাবে না।

গ) মূলভাষ্যে অথবা শিরোনামে কোনো সংবাদকে বিকৃত করা বা অসাধুভাবে চিহ্নিত করা যাবে না।

ঘ) মূল সংবাদের ওপর মতামত পরিচ্ছন্নভাবে তুলে ধরতে হবে।

৭. কুৎসামূলক বা জনস্বার্থের পরিপন্থী না হলে, বাহ্যত ব্যক্তি বিশেষের স্বার্থবিরোধী হলেও যথাযথ কর্তৃপক্ষ স্বাক্ষরিত যে কোনো বিজ্ঞাপন সংবাদপত্রে প্রকাশের অধিকার সম্পাদকের আছে। কিন্তু এরূপ বিজ্ঞাপনের প্রতিবাদ করা হলে সম্পাদককে তা বিনা খরচে মুদ্রণের ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. ব্যক্তি অথবা সম্প্রদায় বিশেষ সম্পর্কে তাদের বর্ণ, গোত্র, জাতীয়তা, ধর্ম অথবা দেশগত বিষয় নিয়ে অবজ্ঞা বা মর্যাদা হানিকর বিষয় প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৯. ব্যক্তি বিশেষ, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান অথবা কোন জনগোষ্ঠী বা বিশেষ শ্রেণির মানুষ সম্পর্কে তাদের স্বার্থ ও সুনামের ক্ষতিকর কোনো কিছু যদি সংবাদপত্র প্রকাশ করে তবে পক্ষপাতহীনতা ও সততার সাথে সংবাদপত্র বা সাংবাদিকের উচিত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান/সংস্থাকে দ্রুত এবং সঠিক এবং উল্লেখযোগ্য সংগত সময়ের মধ্যে প্রতিবাদ বা উত্তর দেয়ার সুযোগ দেয়া।

১০. প্রকাশিত সংবাদ যদি ক্ষতিকর হয় বা যথাযথ না হয় তা অবিলম্বে ও তাত্ক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার, সংশোধন বা ব্যাখ্যা করাই (এবং ক্ষেত্র বিশেষ ক্ষমা প্রার্থনা করা) উচিত যাতে ভ্রমাত্মক বা অসত্য সংবাদ পরিবেশনার দ্বারা জনমনে সৃষ্ট (খারাপ বা ভুল) ধারণা প্রশমিত হয়।

১১. জনগণকে আকর্ষণ করে অথচ জনস্বার্থ পরিপন্থী চাঞ্চল্যকর মুখরোচক কাহিনীর মাধ্যমে পত্রিকা কাটতির স্বার্থে রুচিহীন ও অশালীন সংবাদ পরিবেশন করা যাবে না।

১২. অপরাধ ও দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সংবাদপত্র এমন যুক্তিসংগত পন্থা অবলম্বন করতে পারবে যা কোনো কোনো ক্ষেত্রে কারও কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।

১৩. অন্যান্য গণমাধ্যমের তুলনায় সংবাদপত্রের ব্যাপ্তি ও স্থায়িত্ব তুলনামূলকভাবে বেশি। এ কারণে যে সাংবাদিক সংবাদপত্রের জন্য লিখবেন তিনি সূত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা ও সংবাদের সত্যতা সম্পর্কে বিশেষভাবে সাবধান থাকবেন এবং ঝুঁকি এড়ানোর জন্য সূত্রসমূহ সংরক্ষণ করবেন।

১৪. কোনো অপরাধের ঘটনা বিচারাধীন থাকাকালীন সব পর্যায়ে তার খবর ছাপানো এবং মামলাবিষয়ক প্রকৃত চিত্র উদঘাটনের জন্য আদালতের চূড়ান্ত রায় প্রকাশ করা সংবাদপত্রের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তবে বিচারাধীন মামলার রায় প্রভাবিত হতে পারে, এমন কোনো মন্তব্য বা মতামত প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত সাংবাদিককে বিরত থাকতে হবে।

১৫. সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সাথে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত পক্ষ বা পক্ষসমূহের প্রতিবাদ সংবাদপত্রটির এমন এক পৃষ্ঠায় দ্রুত ছাপাতে হবে যাতে সংবাদটির প্রতি পাঠকদের দৃষ্টি সহজে আকৃষ্ট হতে পারে। সম্পাদক প্রতিবাদলিপির সম্পাদনকালে এর চরিত্র পরিবর্তন করতে পারবেন না।

১৬. সম্পাদকীয় কোনো ভুল তথ্যের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত কোনো পক্ষ যদি প্রতিবাদ করে, তবে সম্পাদকের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে একই পাতায় ভুল সংশোধন করে দুঃখ প্রকাশ করা।

১৭. একটি বিদ্বেষপূর্ণ খবর প্রকাশ বিদ্বেষহীন ভুল খবর প্রকাশের চাইতে অনেক বেশি অনৈতিক।

১৮. একটি সংবাদপত্রের সকল প্রকাশনার পরিপূর্ণ ও একক দায়িত্ব স্বীকার করা সম্পাদকের নৈতিক কর্তব্য।

১৯. কোনো দুর্নীতি বা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আর্থিক বা অন্য কোনো অভিযোগ সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রতিবেদকের উচিত হবে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে সাধ্যমতো নিশ্চিত হওয়া এবং প্রতিবেদককে অবশ্যই খবরের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন করার মতো যথেষ্ট তথ্য জোগাড় করতে হবে এবং অভিযোগের বিষয় অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

২০. প্রতিবাদ হয়নি এবং দায়িত্বশীল এমন প্রকাশনা খবরের উৎস হতে পারে, তবে পুনঃমুদ্রণ করা হয়েছে নিছক এই অজুহাতে কোনো সাংবাদিকের কোনো খবর সম্পর্কে দায়িত্ব এড়ানো অনৈতিক।

২১. আমাদের সমাজের নৈতিক মূল্যবোধের অধঃপতনমূলক খবর তুলে ধরা সাংবাদিকের দায়িত্ব, তবে নারী-পুরুষঘটিত অথবা কোনো নারী সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে একজন সাংবাদিকের অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করা নৈতিক দায়িত্ব।”

কথিত অনলাইন আর মোবাইল সাংবাদিকতার ভয়াবহ বিস্তারের প্রেক্ষিতে এই আচরণবিধিতে আরো কিছু ধারা সংযোজন করা আবশ্যক বলে মনে করি।

গুরুত্বপূর্ণ এই লেখাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে সংগ্রহ।

লেখক : মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, আইনজীবী, সাবেক ডেপুটি চীফ রিপোর্টার: দৈনিক সিলেটের ডাক

এমএনআই

ফেসবুক পেইজ