বিশ্বনাথের সেই তাসনিম খলিলের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ | Sylhet i News
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

আই নিউজ ডেস্ক ::>>

প্রকাশ ২০২১-১০-১৯ ১৩:১৯:০৩
বিশ্বনাথের সেই তাসনিম খলিলের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ

বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় আল জাজিরায় প্রচারিত একটি প্রতিবেদনের অন্যতম প্রধান চরিত্র সামিউল ওরফে জুলকারনাইন সায়ের খানসহ চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

অপর তিন আসামি হলেন- নেত্র নিউজের এডিটর ইন চিফ তাসনিম খলিল, আশিক ইমরান ও স্বপন ওয়াহিদ।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস্‌সামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের আইনজীবী নজরুল ইসলাম শামীম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামিদের মধ্যে তাসনিম খলিলের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। তার বাবা খলিলুর রহমান কাসেমী ছিলেন মুদ্রণ ব্যবসায়ী। পৌরবিপণীর কিংশুক মুদ্রায়ণ তাদের পারিবারিক মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান ছিল। তাসনিম খলিলের মা নাজনীন খলিলও লেখালেখির সাথে জড়িত। তাসনিম খলিল বর্তমানে সুইডেনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। সেখান থেকেই তিনি অনুসন্ধানীমূলক নিউজ পোর্টাল নেত্র নিউজ পরিচালনা করেন।

এর আগে, ১৩ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আফছর আহমেদ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, আল জাজিরায় প্রচারিত একটি প্রতিবেদনের অন্যতম প্রধান চরিত্র সামিউল ওরফে জুলকারনাইন সায়ের খান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান, নেত্র নিউজের এডিটর ইন চিফ তাসনিম খলিল, আশিক ইমরান ও স্বপন ওয়াহিদ।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলায় প্রথমবার চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহসীন সর্দার। চার্জশিটে তখন তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়। বাকি আট আসামিকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

এরপর ০৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম মামলাটি পুনরায় তদন্ত করার আবেদন করেন। এরপর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটকে (সিটিটিসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

গত বছরের ৫ মে র‌্যাব-৩ এর ওয়ারেন্ট অফিসার আবু বকর সিদ্দিক রমনা থানায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ‘আই অ্যাম বাংলাদেশি’ নামে ফেসবুক পেজে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অপপ্রচার বা গুজবসহ বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিয়েছেন। যা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায়।

সূত্র: ঢাকাপোস্ট

আই নিউজ/ জেইউ

ফেসবুক পেইজ